খুলনা বিভাগীয় ট্যাংক লরি শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক মো. আলী আজিমকে গ্রেপ্তার প্রতিবাদে ১৬ জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ ও পরিবহন বন্ধ রেখেছেন শ্রমিকরা। এর আগে তারা খুলনায় সড়ক অবরোধ, তিন ডিপো থেকে তেল উৎপাদন বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করেন তারা। শ্রমিকরা দ্রুত আলী আজিমের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
আলী আজিমের পরিবার ও শ্রমিক নেতারা জানান, নগরীর ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুরের একটি পুরনো মামলায় রবিবার দুপুরে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল বিভাগীয় ট্যাংক লরি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. আলী আজিমকে গ্রেপ্তার করে।
ওই ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না। গ্রেপ্তারের এ খবর ছড়িয়ে পড়লে খুলনার পদ্মা-মেঘনা-যমুনা তিনটি তেল ডিপো থেকে শ্রমিকরা জ্বালানি তেল উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ করে দেন।
বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা রবিবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে নগরীর কাশিপুর মোড়ে অবরোধ শুরু করেন। এ সময় রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তব্য দেন ট্যাংক লরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এনাম মুন্সী, পদ্মা-মেঘনা-যমুনা ট্যাংক লরি শ্রমিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মীর মোকসেদ আলী, শ্রমিক নেতা মিজানুর রহমান মিজু।
অন্যদিকে দুপুর আড়াইটায় দিকে এ নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন ট্যাংক লরি শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সেখানে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আলী আজিমকে ছেড়ে দেওয়ার আলটিমেটাম দেওয়া হয়। আর আলী আজিমকে মুক্তি না দিলে অনির্দিষ্টকালের জন্য জ্বালানি তেল উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ট্রাংক লরি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. এনাম মুন্সী বলেন, ‘শ্রমিকদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমিও মিথ্যা মামলায় কারাভোগ করেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত আলী আজিমকে মুক্তি দেওয়া হবে না তত সময় পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’